Waters of Life

Biblical Studies in Multiple Languages

Search in "Bengali":
Home -- Bengali -- Romans - 075 (Paul’s Worthiness to write this Epistle)
This page in: -- Afrikaans -- Arabic -- Armenian -- Azeri -- BENGALI -- Bulgarian -- Cebuano -- Chinese -- English -- French -- Hebrew -- Hindi -- Indonesian -- Malayalam -- Polish -- Portuguese -- Russian -- Serbian -- Spanish? -- Turkish -- Urdu? -- Yiddish

Previous Lesson -- Next Lesson

রোমীয়দের - প্রভুই আমাদের ধার্মিকতা
রোমীয়দের কাছে হযরত পৌলের লেখা পত্রের ওপর পর্যালোচনা
তৃতীয় খন্ডের পারশিষ্ট - রোমের জামাতের নেতাদের প্রতি পৌলের বিশেষ ইচ্ছা৷ (রামীয় ১৫:১৪ - ১৬:২৭)

১. এ পত্রটি লেখার যোগ্যতা পৌলের রয়েছে (রোমীয় ১৫:১৪-১৬)


রোমীয় ১৫:১৪-১৬
১৪. আমার ভাইয়েরা, আমি তোমাদের সম্বন্ধে এই কথা বিশ্বাস করি যে, তোমাদের দিল ভালো-ইচ্ছায় পূর্ণ, তোমাদের সব রকম জ্ঞান আছে, আর তোমরা একে অন্যকে উপদেশ দিতে পার৷ ১৫-১৬. তবুও কয়েকটা বিষয় তোমাদের মনে করিয়ে দেবার জন্য আমি সাহস করে তোমাদের কাছে এই কথাগুলো লিখলাম, কারণ আলস্নাহ আমাকে অ-ইহুদিদের কাছে মসিহ ঈসার সেবাকারী হবার দোয়া করেছেন৷ পাকরূহের দ্বারা যে সব অ-ইহুদিদের পাক-পবিত্র করা হয়েছে, তারা যেন আলস্নাহর গ্রহণযোগ্য কোরবানী হতে পারে সেজন্য তাঁরই দেওয়া সুসংবাদ তবলিগ করে আমি ইমামের কাজ করছি৷

ধর্মতত্ত্বের বিষয়ে গবেষণা সমাপ্ত করে নিজের বাসত্মব মতামত যোগ দিয়ে পৌল এ পত্র লেখার যোগ্যতা ও পত্রের ধরণ উপস্থাপন করেছেন৷ তিনি এমনভাবে তা প্রকাশ করেছেন যাতে পাঠককুল সমালোচনা বা সন্দেহের শিকারে পরিণত না হয়৷

পৌল রোমের মসিহিদের নিশ্চয়তা দিয়ে বলেছেন যে তারা কোনো মতবাদ বা ধর্মতাত্তি্বক দর্শন অনুসরণ করে না বরং সুসমাচারের ফল যা তাদের মধ্যে হয়েছে বাসত্মবায়িত তাই অনুসরণ করে চলছেন৷ তিনি তাদের খোদার পরিবারে নিজের রম্নহানি ভাই হিসেবে সম্বোধন করেছেন, যারা ঐশি সত্য ও রূহে খোদার সনত্মানে হয়েছে পরিণত৷ তাদের এ সুযোগ ও অধিকার ঘটেছে কারণ তাদের মধ্যে যে ভালো দিকগুলো ছিল যা তাদের নিজস্ব সম্পদ ছিল না বরং খোদা কর্তৃক দত্ত উপহার ছিল৷ তারা যে খোদার বিষয়েই বলেছেন তা নয় বরং তাদের সাথে খোদার একটা সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল তাও প্রকাশ করেছেন, আর প্রেমের, বিনম্রতার ও সম্মানের সাথে সঙ্গতি বজায় রেখে জীবন-যাপন করতেন, যার ফলে জামাতের বাইরে যারা তাদের লক্ষ্য করতেন তারা তাদের জীবনের উত্‍কর্ষতা দেখে বিমোহিত হয়ে পড়তেন৷

সাহাবি পৌল নিশ্চয়তা দিয়ে বলেছেন, এমন রম্নহানি প্রাধিকার ও খোদায়ী চরিত্র খোদার প্রজ্ঞার মাধ্যমে তাঁর পুত্র ঈসা মসিহের ওপর বিশ্বাস স্থাপনের ফলে হয় লব্দ৷ তিনি গুরম্নত্বসহকারে বলেছেন, তারা সর্বপ্রকার জ্ঞানে ছিল পূর্ণ৷ তারা জানতেন যে পূতপবিত্র খোদা হলেন পিতা, আর মসিহ হলেন তাঁর প্রিয় পুত্র, তাই তারা পাকরূহের শক্তির অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন৷ তারা ইহুদি ও অইহুদিদের মতোই সাধারণ জীবন-যাপন করতো৷

প্রত্যেকটি জামাতকে পারষ্পরিক পুনর্গঠনের জন্য তাদের নিশ্চয়তা দান করেছে, অহংকার বা ঘৃণা ভরে নয়, বরং মসিহের বিনম্রতা ও সত্যের পথে পাকরূহের পরিচালনাদান কল্পে৷ যারা ধ্বংসের পথে পতিত হচ্ছে তাদের প্রতি বিনম্র ও প্রেমের আবেশে আবিষ্ট হয়ে সত্যের প্রকাশ ঘটালে প্রকৃত প্রেম কার্যকর হয়ে থাকে৷ যাহোক, সঠিক কথা বলার জন্য চাই অধ্যাবসায়, প্রজ্ঞা, শালীনতা ও সম্মানের প্রদর্শনের মাধ্যম৷ হযরত পৌল এ পত্রটি লিখেছেন রম্নহানি অভিজ্ঞতার আলোকে ও মসিহি বিশ্বাস, জীবনাচরণ পদ্ধতি আর তিনি তাঁর এ সংক্ষিপ্ত পত্রের নাম দিয়েছেন অবিচ্ছেদ্দ অংশ হিসেবে৷

তাঁর পত্রের প্রথম অংশে তিনি খোদার ধার্মিকতার ব্যাখ্যা দিয়েছেন, খোদা সর্বদাই ধার্মিক, যখন তিনি মসিহের রক্তের মূল্যে গুনাহগারদের পূতপবিত্র করলেন তখনও তিনি ধার্মিক হিসেবে বিশিষ্ট রইলেন, তিনি তাদের পাকরূহ, অননত্ম জীবন ও মহব্বত দিয়ে পরিপূর্ণতা দান করলেন৷

পত্রের দ্বিতীয় অংশে খোদার ধার্মিকতার নিরবচ্ছিন্নতার ওপর জোর দিয়েছেন তার মনোনীত সনত্মানদের হৃদয়ে কাঠিন্যতা যাতে না আসে, গোটা বিশ্ব যাতে করে রহমতের পূর্ণতায় বসবাস করতে পারে তেমন প্রতিজ্ঞা করেছেন বিশ্বাসের পিতাদের কাছে৷

পত্রের তৃতীয় অংশে খোদার ধার্মিকতার বাসত্মবায়নের বিষয়ে বিশেস্নষণ করেছেন, তাদের জীবনে যারা তাকে অনুসরণ করে চলে, যেন তারা অভিযোগ না করে পরষ্পরকে মেনে নেয়, তাদেরও যারা অন্যদের থেকে ভিন্নতর জীবন যাপন করে ফেরে৷

পৌল তাঁর সংক্ষিপ্ত পত্রে লিখেছেন এ নীতিমালা যা হলো, 'ইমানের ভিত্তি' 'পূর্ব থেকে মনোনয়নের মতবাদ' ও 'মসিহিদের আচরণ মালার নিয়মাবলি'৷ যে সকল জামাত খোদার রূহের আশির্বাদের পূর্ণতা পেয়েছে তাদের কাছে তিনি লিখেছেন তাদের স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য, যে খোদার মহব্বত বিশ্বজনীন যা সকল ইমানদারদের ওপর বর্শিত হয়ে থাকে৷ মসিহিয়াতের এ মৌলিক নিয়মের বিষয়ে প্রাধিকারের সাথে বলার ছিল মনোবল, কারণ তিনি অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন ব্যক্তিগত জীবনে খোদার মহব্বত ও ক্ষমার বিশালতার বিষয়ে, কেননা তিনি নিজেও এক কালে জামাতের বিরম্নদ্ধে অত্যাচারি অপশক্তি হিসেবে কাজ করেছেন৷ অধিকন্তু অপবিত্র আত্মা তাকে মসিহের দাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, আর অইহুদিদের মধ্যে নিঃশর্তভাবে সুসমাচার বিতরণ প্রচার করে সময় কাটিয়েছেন৷ তাঁর এ সেবা, কর্ম ক্ষমতা, জোর-জবরদসত্মি, তরবারির সাহায্য বা রক্তক্ষরণের দ্বারা কার্যকর করা হয় নি, না হয়েছে বুদ্ধিমত্তার জোরে, সুকৌশলে, কিন্তু মাবুদের দরবারে প্রার্থনা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে হয়েছে সাধিত৷ পৌল একজন রম্নহানি ইমামে পরিণত হয়েছেন যিনি অগণিত অইহুদিদের যুক্ত করে দিয়েছেন খোদার সাথে৷

তিনি কঠিন শব্দ প্রয়োগ করেছিলেন তাদের প্রতি যারা মসিহের কাছে সমর্পিত হতে অজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল, মসিহকে ধন্যবাদ ও বিশ্বাসের সাথে বাধ্যতার মধ্যদিয়ে গ্রহণ করার ফলে খোদার জোড় কলমের মতো করে রম্নহানি পরিবারে সদস্য হতে এ উদেশ্যেই তাদের প্রতি শক্ত শব্দ প্রয়োগ করেছিলেন৷ তিনি পাকরূহের পরাক্রমেই সেবা কাজ করেছেন, মসিহের ইচ্ছানুযায়ী সেবাকর্ম পরিচালনা ও সম্পন্ন করার জন্যই হয়েছে পরিচালিত৷ খোদার প্রশানত্মি তার মধ্যে পূর্ণতা পেয়েছিল, কেননা তিনি পাকরূহের ইচ্ছা বাসত্মবায়ন করার জন্যই কাজ করেছেন৷

প্রার্থনা: হে বেহেশতি পিতা, আমরা তোমার মহিমা প্রকাশ করি৷ মসিহের উপস্থিতির মাধ্যমে তুমি অবাধ্য প্রফেসর সৌলকে দামেস্কের পথে বিনম্র ও বিনীত করে দিয়েছো৷ তুমি তাকে মুক্ত করেছো, আহ্বান জানিয়েছো, শক্তিশালী করেছো, পাকরূহের দ্বারা, ভূমধ্য সাগরের পাশর্্ববতর্ী এলাকার লোকদের কাছে যেন মসিহের দ্বারা অর্জিত নাজাতের বিষয় প্রচার করতে পারে৷ বিশেষভাবে তোমাকে ধন্যবাদ দেই এ বিশেষ বিখ্যাত পত্রের জন্য যা তুমি রোমে প্রেরণ করেছো, বিশ্বের সকল জামাতের লোকদের কাছে তা বিশ্বাসের নীতির বিষয়ে দিক নির্দেশনা দান করে থাকে৷

প্রশ্ন:

৯৩. পৌল তাঁর পত্রের কি এমন লিখেছেন যা কেবল একটি মাত্র অংশ হিসেবে গণ্য হচ্ছে?

www.Waters-of-Life.net

Page last modified on February 25, 2014, at 01:59 PM | powered by PmWiki (pmwiki-2.2.109)