Waters of Life

Biblical Studies in Multiple Languages

Search in "Bengali":
Home -- Bengali -- John - 117 (Jesus appears to Mary Magdalene)
This page in: -- Arabic -- Armenian -- BENGALI -- Cebuano -- Chinese -- English -- Farsi? -- French -- Hausa? -- Hindi -- Indonesian -- Kiswahili -- Kyrgyz -- Malayalam -- Peul -- Portuguese -- Russian -- Serbian -- Spanish? -- Tamil -- Telugu -- Turkish -- Urdu -- Uyghur? -- Uzbek -- Vietnamese -- Yiddish

Previous Lesson -- Next Lesson

যোহন - নূর অন্ধকারের মধ্যে জ্বলছে
যোহন বর্ণীত মসিহের নাজাতের বারতার সুসমাচার ওপর অধ্যয়ন
চতুর্থ খন্ড - নূর অন্ধকারকে জয় করে (যোহন ১৮:১ - ২১:২৫)
বি - ঈসা মসিহের পুনরম্নত্থান ও উপস্থিতি (যোহন ২০:১ - ২১:২৫)
১. সপ্তাহের প্রথম দিন অর্থাত্‍ পুনরম্নত্থানের প্রতু্যশে (যোহন ২০:১-১০)

গ) ঈসা মসিহ মগদলীনী মরিয়মের কাছে দেখা দেন (যোহন ২০:১১-১৮)


যোহন ২০:১১-১৩
কিন্তু মরিয়ম কবরের বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে লাগলেন৷ তিনি কাঁদতে কাঁদতে নীচু হয়ে কবরের ভিতরে চেয়ে দেখলেন, ঈসা মসিহের লাশ যেখানে শোয়ানো ছিল সেখানে সাদা কাপড় পরা দু'জন ফেরেশতা বসে আছেন- একজন মাথার দিকে আর অন্যজন পায়ের দিকে৷ তাঁরা মরিয়মকে বললেন, 'কাঁদছ কেন?' মরিয়ম তাঁদের বললেন, 'লোকেরা আমার প্রভুকে নিয়ে গেছে এবং তাঁকে কোথায় রেখেছে জানি না৷'

কবরটি শূন্য, এ বিষয়ে স্থীর সিদ্ধানত্মে উপনিত হবার পরেই সাহাবিদ্বয় কবর থেকে ফিরে গেলেন৷ শূন্য কবরে অপেৰা করার আর কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না৷

যাহোক, শূন্য কবর নিজের চোখে দেখার জন্য মগদলীনী মরিয়ম নিজে কবরের কাছে চলে গেলেন৷ সাহাবিদ্বয় চলে যাবার পরেও তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে রইলেন, কেননা কেবল শোনা কথায় তিনি তৃপ্ত হতে পারেন নি, নিজের চোখে চাই প্রত্যৰ করা৷ তিনি তথায় দাঁড়িয়ে রইলেন, কেননা মসিহই তার প্রত্যাশার কেন্দ্র ও শক্তি৷ ঈসা মসিহের দেহ দেখতে না পেয়ে তার বিশ্বাস উবে গিয়েছিল৷ তাই করম্নণভাবে তিনি কাঁদতে শুরম্ন করলেন৷

মরিয়মের মর্ম ব্যথার গভীরতা দেখে মসিহ দুজন ফেরেশতাকে পাঠালেন যারা অন্য মহিলাকেও দর্শন দিলেন৷ মরিয়ম তাদের খোলাখুলি দেখলেন কবরে সাদা কাপড়ে পরিহিত আলোর বিচ্ছুরণ ছড়াচ্ছিল৷ কিন্তু তারা তাকে সানত্ম্বনা দিতে পারে নি৷ কেননা তাকে সানত্মনা দিতে স্বয়ং মসিহের উপস্থিতি ছিল অত্যাবশ্যক, 'মোর প্রভু, তুমি কোথায়?'

তার নিভৃত্বের এ আহ্বান আমাদেরও নাড়া দেয়৷ আমরা কী চাই? আমরা যা কিছু প্রত্যাশা করি তা কেন চাই? আমাদের লৰবিন্দু কি? আমরা কি মরিয়মের সাথে ঐক্যমত্যে আসতে পারি যে, প্রভুর দর্শণ ছাড়া অন্য কিছুই আমাদের তৃপ্ত করতে পারে না৷ আপনার হৃদয়ে মসিহের পুনরাগমনের জন্য ব্যকুল হয়ে আছি?

যোহন ২০:১৪-১৬
এই কথা বলে মরিয়ম পিছনে ফিরে দেখলেন ঈসা মসিহ দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু তিনি যে ঈসা মসিহ তা বুঝতে পারলেন না৷ ঈসা মসিহ তাঁকে বললেন, 'কাঁদছ কেন? কাকে খুঁজছ?' ঈসা মসিহকে বাগানের মালী ভেবে মরিয়ম বললেন, 'দেখুন, আপনি যদি তাঁকে নিয়ে গিয়ে থাকেন তবে বলুন কোথায় রেখেছেন৷ আমি তাঁকে নিয়ে যাব৷' ঈসা মসিহ তাঁকে বললেন, 'মরিয়ম৷' তাতে মরিয়ম ফিরে দাঁড়িয়ে আরামীয় ভাষায় ঈসা মসিহকে বললেন, 'রব্বুনি৷' রব্বুনি মানে ওসত্মাত৷

ঈসা মসিহ তার কান্না শুনে চুপ থাকতে আর পারলেন না৷ অন্যেরা যেৰেত্রে খালী কবর দেখে এবং ফেরেশতাদের কথা শুনে তৃপ্ত হলেন, সেৰেত্রে মরিয়ম তৃপ্ত না হয়ে নিজ চোখে মসিহকে দেখবার জন্য দাঁড়িয়ে রইলেন৷ একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে কোনো সম্ভোধন ব্যতিরেকেই মসিহ তার কাছে এসে হাজির হলেন, তার সামনে দাঁড়ালেন৷

মনে মনে মরিয়ম কষ্ট পাচ্ছিলেন, মসিহকে দেখতে না পেয়ে তথা তার কন্ঠ শুনতে না পেরে মর্মাহত হয়ে পড়লেন৷ তিনি মসিহকে দেখতে চাচ্ছিলেন, কেবল তাঁর কন্ঠস্বরেই তৃপ্ত হবার নয়৷ তথাপি ঐ সময়ে মসিহের অনুপস্থিতি তাকে হতাশ করে তুললো, একইভাবে আজ মসিহের অনুপস্থিতি এবং মৃদু শানত্মনাদায়ক কন্ঠস্বর শুনতে না পেয়ে আমরা অস্থির হয়ে পড়ি৷ আজ অনেকেই খোদার অন্বেষণ করে কিন্তু কিছুই পায় না, কারণ তারা জীবনত্ম মেষশাবকের মধ্য দিয়ে খোদার অসত্মিত্ব খুঁজতে চায় না৷ খোদা তো মসিহের মাধ্যমেই মানবজাতির কাছে নিজেকে ধরা দিয়েছেন৷

মসিহের প্রতি মরিয়মের মহব্বত তাঁর জানা ছিল, মসিহই নিরবতা ভেঙ্গে দিলেন, তার শোক দূর করে দিলেন, এমন বাক্য বললেন যাতে সাহস ও সানত্মনা লাভ করেন, সমবেদনার কথা বললেন৷ মরিয়মের নাম ধরে তিনি ডাকলেন, বুঝতে চাইলেন তিনি বাগানের মালি নন, সাধরণ মানুষের উধের্্ব, ঐশি ব্যক্তি৷ তিনি সবকিছুই জানেন, সর্বজ্ঞানি ব্যক্তিসত্ত্বা, স্বয়ং প্রভু৷ যেমন ভালো রাখাল তার মেষদের ডাকেন, তদ্রম্নপ তিনি তার নাম ধরে ডাক দিলেন, যাকে ডাকলেন তার নাম রয়েছে তাঁর জানা, যিনি অননত্ম জীবন দান করে থাকেন তিনিই তাকে ডাক দিয়েছেন৷ যিনি মসিহকে মহব্বত করেন কেবল তিনিই তাঁর মহব্বত সম্বন্ধে উপলব্ধি করতে পারেন, লাভ করেন, পাপের ৰমা, যেমন প্রভু তার নাম ধরে ডাক দিলেন এবং পাকরূহের সানত্মনা দিলেন৷

মসিহ বর্তমানে আপনার নাম ধরে ডেকে চলছেন৷ তাঁর কন্ঠস্বর আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন? সর্বপ্রকার সন্দেহ ও পাপাচার দূর করে দিয়ে তার উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিন৷

মরিয়ম জবাব দিলেন প্রভু সম্বোধন করে৷ মরিয়ম যে সম্বোধন করেছিলেন তার অর্থ প্রভু, যার অর্থ হলো, তিনি সর্বশক্তিমান এবং সর্ববিষয়ে রয়েছে তার জ্ঞান৷ তাঁর পাঠশালায় অধ্যয়ন করার সুযোগ মরিয়মের ঘটেছে৷ তিনিও মরিয়মকে প্রজ্ঞা শিৰা দান করেছেন, দান করেছেন অমিত শক্তি, তাকে অননত্ম জীবন দিয়ে করেছেন সুরৰা৷ তাঁর জবাব ছিল উলস্নাসের মতোই, যে উলস্নাস, দীর্ঘকাল প্রভুর আগমনের অপেৰার পর হঠাত্‍ প্রভুর উপস্থিতিতে ঘটেছিল৷ বিশ্বাসীকুল প্রভুর দ্বিতীয় আগমনের জন্য রয়েছেন অপেৰাতে, যখন মেঘের মধ্য দিয়ে ঘটবে তাঁর আগমন, যখন সমসত্ম ব্যক্তিবর্গ তাঁকে বরণ করবেন এবং তাকে ভক্তি করবেন৷

প্রার্থনা: প্রভু মসিহ, আমরা তোমার কাছে প্রণতি জানাই৷ মরিয়ম যেমন তোমার উপস্থিতির জন্য অপেৰা করেছিলেন, তেমনি ভাবে আমরাও তোমার অপেৰাতে রয়েছি৷ তোমার উপস্থিতিই ছিল তার জন্য সানত্মনা৷ তোমার কালামই আমাদের জীবন৷ তোমার কালাম শ্রবণের জন্য হৃদয় ও কর্ণ খুলে দাও, আমাদের বাধ্যতা দান কর যেন আনন্দের সাথে তোমার ওপর আস্থাবান হতে পারি৷

প্রশ্ন:

১২১. ঈসা মসিহের আহ্বান এবং তার কাছে তাঁর প্রকাশ না হওয়া পর্যনত্ম তিনি তার অন্বেষণ বন্ধ করেন নি?

www.Waters-of-Life.net

Page last modified on July 30, 2013, at 11:03 AM | powered by PmWiki (pmwiki-2.2.109)